1. admin@protidinercoxbazar24.com : admin :
শুক্রবার, ২৯ অক্টোবর ২০২১, ০২:১০ পূর্বাহ্ন

উখিয়া টেকনাফে ইয়াবা গডফাদারেরা বহাল তবিয়তে থাকলেও ইয়াবা বহনকারী অনেক কিশোর-যুবক জেলে

ইমতিয়াজ মাহমুদ ইমন
  • সময় : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ৭৮ বার পঠিত

উখিয়া টেকনাফে ইয়াবা গডফাদারেরা বহাল তবিয়তে থাকলেও ইয়াবা বহনকারী অনেক কিশোর-যুবক জেলে

গডফাদারদের ইয়াবা বহন করে জায়গামত পৌঁছে দিতে গিয়ে আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হচ্ছে প্রতিনিয়ত। অনেক দরিদ্র কিশোর -যুবক টাকার লোভে পড়ে এ বেআইনি কাজ করতে গিয়ে বছরের পর বছর জেল খাটলেও বরাবরই ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে মূল হোতারা।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে ইয়াবা ব্যবসার অন্যতম ট্রানজিট খ্যাত উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের পূর্ব ডিগলিয়াপালং, ডেইলপাড়া, করইবনিয়া, চাকবৈটাসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজনের অনেক অভিযোগ উঠে এসেছে। ডেইলপাড়া গ্রামের রফিক উদ্দিন প্রকাশ রউফ্,া পূর্ব ডেইলপাড়ার শাহজাহান, নুর হোসেন প্রকাশ বার্মাইয়া চেয়ারম্যান, একরাম, বার্মাইয়া হাকিম আলী, করইনিয়ার মোঃ হারুন, ইকবাল, পূর্ব ডিগলিয়া পালংয়ের আকবরসহ অন্ততঃ ১৫ জন গডফাদারের সিন্ডিকেটের তথ্য স্হানীয় লোকজন জানান।
উল্লেখিত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে উখিয়া ও বিভিন্ন থানায় রয়েছে একাধিক মাদক, অস্ত্র মামলা। ওরা দিনের বেলায় খুব কম বিচরণ করেন। সন্ধ্যার পর থেকে রাতভর সীমান্ত এলাকায় তাদের বিচরণ লক্ষ্য করা যায় বলে নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে অনেকে জানান। জানা গেছে, ইয়াবা ব্যবসা নিরাপদ রাখতে তারা গড়ে তুলেছেন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গ্রুপ।
জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে বার্মাইয়া হাকিম আলি, হারুন ও ইকবাল সিন্ডিকেটের ইয়াবা আনতে গিয়ে সম্প্রতি রেজু আমতলী বিজিবির হাতে দেড় লাখ ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়ে জেল খাটছে পুতিয়া নামের এক যুবকসহ ৩জন। তারা হাজতে রয়েছে। গত ২৪ মে কক্সবাজার ডিবির হাতে দেড় লাখ পিস ইয়াবাসহ আটক হয় উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের করইবনিয়া গ্রামের রশিদ আহামদের ছেলে আবুল হাশেম (২৬)।
টমটম চালক হাশেমের বৃদ্ধ পিতা রশিদ আহামদ (৭৬) বলেন, অভাবের সংসারে শারীরিক অক্ষমতায় নিজে কোন কাজকর্ম করতে পারিনা। অপর ছেলেরা নিজেদের সংসার নিয়ে আলাদা থাকে। একমাত্র ছেলে হাশেমের পরিশ্রমের ওপর চলছিল বৃদ্ধ মা-বাবার ভরণপোষণ। অন্যের টমটম গাড়ি ভাড়ায় চালিয়ে সে সংসার চালাত বলে হাশেমের পিতা ও প্রতিবেশীরা জানান।
অসহায় রশিদ আহামদ বলেন, হারুন একজন বড় ইয়াবার গডফাদার। এখানে যে কয়জন বড় বড় ইয়াবা ব্যবসায়ী রয়েছে সবার সাথে হারুনের সম্পর্ক আছে। সে আমার ছেলেকে মোটা টাকার লোভে ফেলে ইয়াবা নিয়ে পাঠিয়ে সর্বনাশ করে দিয়েছে। ছেলেটা টমটম চালিয়ে সংসারে মা-বাবাকে ভরণপোষণ করত। ইয়াবা ব্যবসায়ী হারুন আমার ছেলে হাশেমকে ছাড়িয়ে আনার ওয়াদা দিলেও কোন খবর রাখছে না। এর বিচার দাবী করেন এ বৃদ্ধ পিতা।

সংবাদটি শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর

ফেসবুকে আমরা